Breaking News

যৌবনে অর্থের বিনিময়ে পেয়েছি বলিউডের সবচেয়ে সম্মানজনক অ্যাওয়ার্ড: ঋষি কাপুর

এবার সকল সন্দেহের উপর থেকে পর্দা তুলে নিয়ে প্রবীণ বলিউড অভিনেতা জানিয়ে দিলেন যে, তিনি নিজেই তার যৌবনে অর্থের বিনিময়ে পেয়েছিলেন বলিউডের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও সম্মানজনক অ্যাওয়ার্ডটি। যে কোনও চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়েই নানা সময়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়। পুরস্কার ঘোষণার পরে অনেক সময়েই চলচ্চিত্রমোদীদের মধ্যে এমন ক্ষোভ তৈরি হয় যে, যোগ্যতার সুবিচার হয়নি। দেখা যায়, যে ছবি বা যে অভিনেতার কাজ হয়তো তেমন ভাবে দর্শকদের মন জয় করতে পারেনি, সেই ছবি বা অভিনেতাই পেয়ে গেলেন পুরস্কার। যাকে পুরস্কারের দাবিদার বলে মনে হয়েছিল, তিনি বঞ্চিত হলেন। সে সব ক্ষেত্রে তৈরি হয় সন্দেহ। মনে হয়, তা হলে পুরস্কার প্রাপকদের সঙ্গে পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা বা বিচারকদের কোনও গোপন বোঝাপড়া হয়ে গিয়েছে। যদিও এই ধরনের ঘটনার কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রকাশ্যে আসে না কখনও। তবে এবার এই সমস্ত সন্দেহের উপর থেকে পর্দা তুলে নিয়ে এক নামজাদা এবং প্রবীণ বলিউড অভিনেতা জানিয়ে দিলেন যে, হ্যাঁ, কোনও কোনও পুরস্কারের ক্ষেত্রে এমন গোপন বোঝাপড়া হয়। কারণ তিনি নিজেই তার যৌবনে অর্থের বিনিময়ে পেয়েছিলেন বলিউডের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং সম্মানজনক অ্যাওয়ার্ডটি। সেই অভিনেতা আর কেউ নন, স্বনামধন্য ঋষি কাপুর।

একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি এই বোমা ফাটিয়েছেন ঋষি। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৭৩ সালে টাকা দিয়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার কার্যত কিনে নিয়েছিলেন তিনি। তার ইঙ্গিত ছিল তার অভিনীত ‘ববি’ ফিল্মটির দিকে। একই বছরে মুক্তি পেয়েছিল অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ‘জঞ্জির’। অমিতাভও শ্রেষ্ঠ অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ঋষি আশঙ্কা করেছিলেন, অমিতাভকে হারিয়ে তার পক্ষে পুরস্কার জেতা হয়তো সম্ভব হবে না। তিনি তখন টাকার সাহায্যে পুরস্কার জিতে নেন। সাক্ষাৎকারে এই স্বীকারোক্তির পরে ঋষি বলেন, ‘ওই কাণ্ড নিয়ে আফশোস আমার এখনও যায়নি। আরে, আমি তখন ২০ বছরের বাচ্চা ছিলাম। অবশ্য ওই পুরস্কারটা টাকা দিয়ে পেয়েছিলাম মানে জীবনের সমস্ত পুরস্কারই আমি টাকার বিনিময়ে পেয়েছি, এমনটা নয়।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পরবর্তী কালে ওই পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থার তরফে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন ঋষি। সাম্প্রতিক কালে ‘কপূর অ্যান্ড সনস’ ছবিতে অভিয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেতার পুরস্কারও পান তিনি। কিছু দিনের মধ্যেই প্রকাশ পেতে চলেছে ঋষির আত্মজীবনী ‘খু্ল্লাম খুল্লা’। ঋষি জানিয়েছেন, সেই বইতেও অন্তর্ভুক্ত হবে অর্থের বিনিময়ে পুরস্কার জেতার বিষয়টি।

তথ্যসূত্র : এবেলা

About admin

Check Also

‘জাপানে বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাস সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী আয়োজন’

জাপান বাংলা প্রেসের নতুন সংখ্যা উন্মোচন, দুর্লভ পত্রিকা প্রদর্শনী ও সম্পাদক সম্মাননা টোকিও, ২৭ সেপ্টেম্বর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *