নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে অনলাইন মুদি দোকানে অভ্যস্ত হতে বাধ্য হয়েছেন জাপানের ক্রেতারা। এতে এওন কোম্পানির মতো রিটেইলারদের ডেলিভারি চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। খবর রয়টার্স।
মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে শুধু যে জাপানিরাই অনলাইনে অভ্যস্ত হয়েছে তা নয়। বিশ্বের সব প্রান্তেই অনলাইনে সব ধরনের পণ্য ডেলিভারি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দোকানে সুন্দরভাবে উপস্থাপিত করে রাখা সতেজ শাকসবজি, ফলমূল ও মাছের মতো মুদি পণ্য সংগ্রহ করার বাতিক রয়েছে জাপানিদের মধ্যে। এজন্য অনলাইনে খাদ্যসামগ্রী ক্রয়ে অভ্যন্ত হতে জাপানিদের আরো কয়েক বছর লাগার কথা ছিল।
জাপানের রিটেইল জায়ান্ট এওনের জন্য একটি গ্রোসারি ই-কমার্স ব্যবসা চালুতে ডেকে আনা ওকাডো গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক লিউক জেনসেন বলেন, আমি মনে করি, মহামারীটি গ্রোসারি ই-কমার্স গ্রহণের মোক্ষম উপলক্ষ তৈরি করে দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যেহেতু অনেক গৃহস্থালিতে দুই ব্যক্তি ঘরে বসে কাজ করছেন, সেজন্য তারা কেনাকাটায় কম সময় ব্যয় করতে চাইছেন।
ক্রেতাদের আচরণে এ পরিবর্তন বাজারের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুদি বাজার জাপানে প্রতি বছর ৫০ ট্রিলিয়ন ইয়েনের চেয়েও বেশি পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
Nihon Bangla | Japan Bangladesh News Portal জাপান প্রবাসীদের নিত্য সঙ্গী Nihon Bangla | Japan Bangladesh News Portal একটি সাধারন মাধ্যম