মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়ী হয়েছে অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। বিবিসি বলছে, ৩৪৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে সু চির দল। দেশটিতে সরকার গঠন করতে ৩২২ আসনে জয়ী হতে হয়।
মিয়ানমারে ৩ কোটি ৭০ লাখের বেশি নিবন্ধিত ভোটার। দেশটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লেও প্রচুর মানুষ ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
রোববার ৮ নভেম্বর সেদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয় ভোটগ্রহণ।
২০১১ সালে প্রত্যক্ষ সেনা শাসন শেষ হওয়ার পরে দেশটিতে এবার দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।
আগের নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেন সু চি। পরে তিনি ক্ষমতা ভাগাভাগি করার চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রবল ক্ষমতাশালী জেনারেলদের সাথে।
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, সেনা শাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বের আইকন সু চির জনপ্রিয়তায় বিশ্বব্যাপী ভাটা পড়ে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরতার পর তার প্রতিক্রিয়ার কারণে। ২০১৭ সালে জাতিগত সহিংসতার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। মিয়ানমারের সেনারা তাদের ‘জঙ্গি’ বলে আখ্যায়িত করে।
মিয়ানমারের বেশ কিছু অংশে এদিন ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিলো। বিশেষ করে রাখাইন, শান, কাচিনের মতো এলাকায়। যেখানে অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাস। নিরাপত্তার অজুহাতে এসব স্থানে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়।
করোনাভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য বয়স্কদের অগ্রিম ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো মিয়ানমারে। তখনই ভোট দিয়েছেন ৭৫ বছর বয়সী সু চি নিজেও।
তার ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি(এনএলডি) পার্টির প্রতিদ্বন্দ্বী সেনা সমর্থিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অন্য আরো ২৩টি দলের সঙ্গে তারা নির্বাচন পেছানোর দাবি তোলে।
কিন্তু অক্টোবরে সু চি বলেছিলেন, নির্বাচন করোনার থেকেও জরুরি। তিনি সবাইকে ভোট দেয়ারও আহ্বান জানান।
Nihon Bangla | Japan Bangladesh News Portal জাপান প্রবাসীদের নিত্য সঙ্গী Nihon Bangla | Japan Bangladesh News Portal একটি সাধারন মাধ্যম