ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ঘিরে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর হিন্দুত্ববাদীদের হামলায় নিহত বেড়ে ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে কয়েকশ’।
এই সময় জানায়, সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে।
কয়েক দশকের মধ্যে দিল্লির নজিরবিহীন এই সাম্প্রদায়িক হামলায় দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে প্রায় ৭০ জন গুলিবিদ্ধ।
দিল্লির সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। নিহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
বুধবার রাতে নতুন করে নিহতের খবর না এলেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থমথমে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে।
আনন্দবাজার জানিয়েছে, মুস্তাফাবাদ থেকে বুধবার বেশ কিছু আহত এসেছেন হাসপাতালে। তাদের অনেকের চোখে অ্যাসিড ঢালা হয়েছে। দৃষ্টি হারিয়েছেন চারজন।
এ অবস্থায় দিল্লি হাইকোর্ট বলছেন, আমরা আরেকটি ‘১৯৮৪’ সাল ঘটতে দিতে পারি না। ১৯৮৪ সালে দিল্লিতেই শিখবিরোধী দাঙ্গায় নিহত হয়েছিল তিন হাজারের বেশি শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষ।
বিবিসির প্রতিবেদকরা দেখেছেন, আহতদের শরীরে গুলিসহ প্রায় সব ধরনের আঘাত রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে তারা হিমশিম খাচ্ছে। তাছাড়া অনেকেই ভয়ে বাড়ি ফিরতে চাইছে না।
দিল্লির মৌজপুর, জাফরাবাদ, কারওয়ালনগরে ও চাঁদবাগে কারফিউ জারি করা হয়েছে। এসব এলাকায় দাঙ্গাকারীদের ‘শুট অ্যাট সাইট তথা দেখা মাত্র গুলির’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাফরাবাদ, মৌজপুর-বাবারপুর, গোকুলপুরি, শিব বিহার ও জোহরি এনক্লেভ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কোনো ট্রেন দাঁড়াবে না। ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। দিল্লির আরও ১০ জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
বিবিসি বাংলা জানায়, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে দেখা যায়। কোথাও আবার নিজ হাতে সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙেছে পুলিশ।
Nihon Bangla | Japan Bangladesh News Portal জাপান প্রবাসীদের নিত্য সঙ্গী Nihon Bangla | Japan Bangladesh News Portal একটি সাধারন মাধ্যম